বন্ধ্যাত্বে হোমিওপ্যাথিক সফল কেইস
মিষ্টি নিয়ে রোগির মা ও ছোট বোন চেম্বারে হাজির। মাতৃত্বের স্বাদ পেলেন দীর্ঘ ২ বছর পর হোমিওপ্যাথির কল্যাণে। Infertility (Positive) আলহামদুলিল্লাহ,আড়াই মাস চিকিৎসায় সফল একটি কেস।
বন্ধ্যাত্ব বলতে বোঝায়, নিয়মিত অসুরক্ষিত দাম্পত্য জীবনযাপনের পরও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গর্ভধারণ না হওয়া। সাধারণভাবে: ৩৫ বছরের কম বয়সী নারী: ১২ মাস নিয়মিত অসুরক্ষিত সহবাসের পরও গর্ভধারণ না হলে বন্ধ্যাত্বের মূল্যায়ন করা হয়। ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নারী: ৬ মাস চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বন্ধ্যাত্বের কারণ নারী, পুরুষ বা উভয়ের দিক থেকেই হতে পারে।
নারীর সাধারণ কারণ: ডিম্বস্ফোটনে সমস্যা (যেমন Polycystic ovary syndrome) ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ বা ক্ষতিগ্রস্ত Endometriosis বয়স বৃদ্ধি হরমোনজনিত সমস্যা
পুরুষের সাধারণ কারণ: শুক্রাণুর সংখ্যা কম শুক্রাণুর চলাচল বা গঠনে ত্রুটি হরমোনের সমস্যা কিছু সংক্রমণ বা জীবনযাপনের প্রভাব (ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল, স্থূলতা ইত্যাদি) পরীক্ষা: পুরুষের বীর্য পরীক্ষা (Semen analysis) নারীর ডিম্বস্ফোটন ও হরমোন পরীক্ষা জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের পরীক্ষা প্রয়োজনে আল্ট্রাসাউন্ডসহ অন্যান্য পরীক্ষা
এলোপ্যাথিক চিকিৎসা: কারণের ওপর নির্ভর করে ওষুধ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, অস্ত্রোপচার, অথবা প্রজনন-সহায়ক প্রযুক্তি (যেমন In vitro fertilization) ব্যবহার করা হতে পারে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা : হোমিওপ্যাথির মূল মন্ত্র হলো—"সমে সমং শময়েত" (Like cures like); অর্থাৎ যে পদার্থ সুস্থ মানুষের মধ্যে যে লক্ষণ সৃষ্টি করে, সেই পদার্থেরই উপযুক্তভাবে প্রস্তুতকৃত ওষুধ একই ধরনের লক্ষণযুক্ত রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এক সময়ে একটি ওষুধ, সর্বনিম্ন কার্যকর মাত্রা, এবং রোগ নয়, রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা—এগুলোও হোমিওপ্যাথির মৌলিক নীতি।
01911-628059 (whatsapp)



