Anxiety (উদ্বিগ্নতা/উৎকণ্ঠা) নির্মুলে হোমিওপ্যাথিক সাফল্য
Anxiety (উদ্বিগ্নতা/উৎকণ্ঠা) হলো ভবিষ্যৎ কোনো ঘটনা, বিপদ, অনিশ্চয়তা বা চাপ নিয়ে অতিরিক্ত ভয়, দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতার অনুভূতি। স্বাভাবিক মাত্রায় এটি মানুষের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া, কিন্তু অতিরিক্ত হলে দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করতে পারে। সাধারণ লক্ষণ: অতিরিক্ত চিন্তা, অস্থিরতা, বুক ধড়ফড়, ঘাম, হাত-পা কাঁপা, শ্বাস দ্রুত হওয়া, ঘুমের সমস্যা, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং কোনো অজানা বিপদের আশঙ্কা। সহজভাবে: “বাস্তবে বিপদ না থাকলেও বা বিপদের তুলনায় অতিরিক্ত ভয় ও আশঙ্কায় মন অস্থির হয়ে পড়াই Anxiety বা উদ্বিগ্নতা।”
রোগেীর মানসিক অবস্থার পরিবর্তনে করণীয় :
রোগী নির্বাচন ও ওষুধ নির্ধারণে মানসিক লক্ষণকে (Mental symptoms) বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। হোমিওপ্যাথির মতে, একটি সঠিকভাবে নির্বাচিত ওষুধ রোগীর জীবনীশক্তি (Vital Force)-কে উদ্দীপিত করে। এর ফলে শারীরিক লক্ষণের পাশাপাশি মানসিক অবস্থারও উন্নতি হয় যদি সেই উপসর্গগুলোর সঙ্গে রোগীর সামগ্রিক চিত্র মিলিয়ে ওষুধ নির্বাচন করা যায়। উদ্বেগ, ভয়, খিটখিটে মেজাজ, বিষণ্নতা বা অতিরিক্ত সংবেদনশীলতার মতো উপসর্গ কমতে পারে। মানুষের রোগের মূল প্রভাব পড়ে জীবনীশক্তি (Vital Force)-র উপর। এই জীবনীশক্তি যখন রোগ গতভাবে বিকৃত হয়, তখন তার প্রকাশ প্রথমেই অনেক সময় মনের (Mind) ও আবেগের (Disposition) পরিবর্তনের মাধ্যমে দেখা যায়। মানসিক লক্ষণকে ওষুধ নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন হোমিওপ্যাথি আবিষ্কারক ডাক্তার হ্যানিম্যান। রোগীর স্বভাব, ভয়, রাগ, দুঃখ, ঈর্ষা, উদ্বেগ, স্মৃতিশক্তি, আচরণ ইত্যাদি অনেক সময় ওষুধ নির্বাচনে নির্ণায়ক ভূমিকা রাখে।
মাইন্ড কীভাবে পরিবর্তিত হয়— যখন রোগীর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ (Similia Similibus Curentur) একটি ওষুধ প্রয়োগ করা হয়, তখন সেই ওষুধ জীবনীশক্তির উপর গতিশীলভাবে কাজ করে। জীবনীশক্তি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে তার ফল হিসেবে মানসিক ও শারীরিক উভয় লক্ষণই ধীরে ধীরে উন্নত হয়।



